শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন Bengali Bengali English English
নোটিশ :
Wellcome to our website...
মতিগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সাথে অসৈজন্যমূলক আচরনের অভিযোগ
/ ৬৪ বার পঠিত
আপডেট : বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১, ১০:০২ অপরাহ্ণ

সোনাগাজী প্রতিনিধি :

সোনাগাজীর মতিগঞ্জ আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের সাথে অসৈজন্যমূলক আচরনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার(২৯ডিসেম্বর) দুপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তিচ্চুক ইশরাত জাহান নামক এক শিক্ষার্থীর ভর্তি ফরম নিতে গেলে তার ভাইয়ের সাথে কোন কারন ছাড়াই অসৈজন্যমূলক আচরন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এঘটনায় শিক্ষার্থীর ভাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে।

 

ওই ছাত্রীর বড় ভাই জানান, ২৯ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরের দিকে আমি বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানকে কল দিই। তিনি কল রিসিভ করলে সালাম দিয়ে আমার পরিচয় দিই। এরপর তিনি কাকে কল দিয়েছেন বললে তার গলার স্বর শুনে কল কেটে দিয়ে তার কক্ষে গেলে তিনি অসৈজন্যমূলক আচরন করতে থাকে। আমি তাকে এমন আচরন না করার অনুরোধ করলেও তিনি থামেননি। তখন প্রধান শিক্ষক হিসেবে এমন আচরন উচিত নয় বললে তিনি “তোমার কাছ থেকে আচরন শিখতে হবে বলে উনার চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়ালে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল আফসার আমাকে তার কক্ষ থেকে বের করে নিয়ে আসে। পরে অফিস সহকারীর নিকট থেকে ভর্তি ফরম সংগ্রহ করে চলে আসি। এরপর পুরো বিষয়টি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীকে মূঠোফোনে অবগত করলে তিনি এবিষয়ে প্রধান শিক্ষককে জিজ্ঞাসা করবেন বলেন।

এঘটনায় আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও অত্র বিদ্যালয়ের সভাপতির নিকট লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

 

নবম শ্রেনীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর অভিবাবক জানান, প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ প্রায় সকল অভিভাবকের সাথেই এই ধরনের আচরন করেন, এটা নিত্ত নৈমত্তিক ব্যপার।

 

স্কুল সংলগ্ন এক চা দোকানি জানান, এই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্বে অনেক অভিযোগ শুনি। শিক্ষার্থী থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে৷ স্কুলের অনেক টাকা উনি আত্মসাত করেছে ইতিমধ্যে। তার বিরুদ্বে কেউ কিছু বললেও লাভ নাই যখন যে সভাপতি হয় তার সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে যায়। তার নিয়োগটাও অনিয়ম করে হয়েছে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহকারী শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক অল্পতেই রেগে যান। প্রায় সবার সাথেই গরম হয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলেন। কাউকেই পাত্তা দেন না। সবকিছুতেই একক সিদ্বান্ত নেন।

 

এর আগে ২০১৮সালে অবৈধভাবে কয়েকজন শিক্ষক অপসারনের প্রতিবাদে ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে। জানাযায়, তিনি কুদ্দুস মিয়ার বাজার হাট মোশারফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক থাকা অবস্থায় নারী কেলেংকারি, অর্থাত্মসাত সহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে। পরে মোটা অংকের অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে মতিগঞ্জ আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ ভাগিয়ে নেন।

 

আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান তার বিরুদ্বে আসা অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, ওই অভিবাবক আমাকে ফোন করে তার পরিচয় দেয়। আমি কাকে কল করেছেন বললে কল কেটে দেয়। এরপর আমার কক্ষে আসলে তাকে ভবিষ্যতের জন্য সতর্কতামূলক কিছু কথা বলেছি।

 

আর এম হাট কে উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সাইফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ঘটনার পর ওই অভিবাবক আমাকে মূঠোফোনে বিষয়টি অবগত করেছেন। এবিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলব।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১