রবিবার, ২৬ জুন ২০২২, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন Bengali Bengali English English
শিরোনাম :
ঝিনাইগাতীতে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন বিভাগীয় কমিশনার গ্লোবাল টেলিভিশনের সংবাদ কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে ঝিনাইগাতীতে মানববন্ধন  ঝিনাইগাতীতে আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান নাইম নীলফামারীতে পুলিশ সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন ‘পুলিশ হাসপাতাল দল। নীলফামারীতে ট্রেনে কাটা পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু। রাজশাহীতে সাংবাদিকদের ৮ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে বন্যার পানিতে ডুবে নিহত-২ দূর্গম চরাঞ্চলে জন শুমারীর কাজ করছেন জোনাল অফিসার মেহেদী  নীলফামারীতে ভূমি অধিগ্রহণের চেক পেলেন ১৭ব্যক্তি। নীলফামারীতে ১১ বছর পর খোকশাবাড়ি ইউপিতে ভোট উৎসব।
নোটিশ :
Wellcome to our website...
ঝিনাইগাতীতে আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান নাইম
আপডেট : সোমবার, ২০ জুন, ২০২২, ৫:০৯ অপরাহ্ণ

মিজানুর রহমান মিলন, শেরপুর প্রতিনিধি :

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে কুঞ্জবিলাশ কান্দুলী আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দাদের মানবেতর জীবনযাপন ও তাদের সার্বিক খোঁজ-খবর নিতে প্রকল্পটি পরিদর্শন করলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম।

 

তিনি ১৯ জুন রবিবার দুপুরে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলী গ্রামে কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পটি পরিদর্শন করেন। প্রায় দুই যুগের ব্যাবধানে এ প্রকল্পে নির্মানাধীন সবকটি ব্যারাক জরাজীর্ণ। প্রত্যেক বছরের বর্ষাকালে ঘুম হারাম হয়ে যায়। বৃষ্টি হলে তো কথায় নেই। সবকটি ঘর জরাজীর্ণ থাকায় সারারাত জেগেই কাটাতে হয় কুঞ্জবিলাশ কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের। আবার অনেকেই বৃষ্টিতে পলিথিন মুড়িয়ে ঘরের ভেতরে বসে থাকতে বাধ্য হয় তারা।

 

১৯৯৯ সালে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলী গ্রামে নির্মাণ করা হয় আবাসন প্রকল্পটি। তৎকালীন সময়ে কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্প’টি বাস্তবায়ন করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বাস্তবায়নকারী ইউনিট- ৩৭ এস.টি ব্যাটালিয়ন মোমেনশাহী সেনানীবাস। কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৬’টি ব্যারাক গড়ে তোলে ৬০’টি কক্ষ নির্মাণ করা হয় সেখানে । আর নাম রাখা হয় কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্প।

 

প্রকল্পটিতে রয়েছে মসজিদ, কবরস্থান, পুকুর, সমবায় সমিতি , কমিউনিটি সেন্টারসহ টিনের ছয়টি ব্যারাকে দশটি করে কক্ষ। ওই সময় আড়াই শতাংশ জমি সহ প্রতিটি ভূমিহীন পরিবারকে বরাদ্দ দেয়া হয় ১টি করে ঘর। প্রত্যেক ব্যারাকে গরিব অসহায় হতদরিদ্র ভূমিহীন ছিন্নমূল পরিবারদের বসবাসের জায়গায় হয় সেখানে।

 

কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ন প্রকল্প নির্মাণকালের প্রায় ২৩ বছর পেরিয়ে গেছে। সংস্কার না হওয়ার ফলে নানা কষ্ট নিয়ে বসবাস করছেন তারা। সেখানে বসবাসকারী বাসীন্দারা বেশির ভাগই শ্রমজীবী। কেউ অন্যের বাড়িতে শ্রম বিক্রি করেন। আবার অনেকেই কৃষি কাজে জীবীকা নির্বাহ করে সাংসারিক খরচ যোগান দেন ।

 

রবিবার দুপুরে কুঞ্জবিলাশ কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান, কুঞ্জবিলাস কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পটি সেনাবাহিনীর মাধ্যমে সংস্কার হবে।

দ্রুতই এ কাজ শুরু হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. লাইলী বেগম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. উমর আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. মজিবর রহমান, ধানশাইল ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, কান্দুলী আশ্রয়ণ প্রকল্পের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

আর্কাইভ

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০